hamburgerIcon

Orders

login

Profile

Profile
This changing weather, protect your family with big discounts! Use code: FIRST10This changing weather, protect your family with big discounts! Use code: FIRST10
ADDED TO CART SUCCESSFULLY GO TO CART
  • Home arrow

  • Diet & Nutrition arrow

  • গর্ভাবস্থায় কিশমিশ: নিরাপদ দৈনিক পরিমাণ, উপকারিতা, ত্রৈমাসিক গাইড এবং ঝুঁকি (২০২৬) arrow

In this Article

    গর্ভাবস্থায় কিশমিশ: নিরাপদ দৈনিক পরিমাণ, উপকারিতা, ত্রৈমাসিক গাইড এবং ঝুঁকি (২০২৬)

    Diet & Nutrition

    গর্ভাবস্থায় কিশমিশ: নিরাপদ দৈনিক পরিমাণ, উপকারিতা, ত্রৈমাসিক গাইড এবং ঝুঁকি (২০২৬)

    28 May 2026 আপডেট করা হয়েছে

    Medically Reviewed by

    Dr. Shruti Tanwar

    C-section & gynae problems - MBBS| MS (OBS & Gynae)

    View Profile

    হ্যাঁ, গর্ভাবস্থায় কিশমিশ নিরাপদ এবং উপকারী, পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হলে। নিরাপদ দৈনিক পরিমাণ ২০ থেকে ৩০ গ্রাম (এক ছোট মুঠো, প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি কিশমিশ)। কিশমিশ আয়রন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফোলেট এবং প্রাকৃতিক চিনি সরবরাহ করে, যা গর্ভকালীন রক্তাল্পতা প্রতিরোধে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে, এবং শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে খাওয়া সর্বোত্তম। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি কিশমিশের বেশি নয় এবং প্রোটিনের সাথে খান।

    কিশমিশ ভারতীয় খাবারে শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাকৃতিক মিষ্টি, পুষ্টিতে ভরপুর, এবং সহজে সংরক্ষণযোগ্য, এটি একটি সাধারণ গর্ভকালীন খাদ্য পছন্দ। প্রশ্ন হলো এটি কতটা নিরাপদ এবং কতটা খাওয়া উচিত। এই গাইড সম্পূর্ণ উত্তর দেয়।

    গর্ভাবস্থায় কিশমিশ খাওয়া কি নিরাপদ?

    হ্যাঁ, কিশমিশ গর্ভাবস্থার তিনটি ত্রৈমাসিকেই নিরাপদ যদি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হয়। ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গর্ভাবস্থা পুষ্টি নির্দেশিকা কিশমিশকে নিরাপদ ও পুষ্টিকর হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

    নিরাপত্তা তিনটি সাধারণ নিয়ম থেকে আসে। প্রথমত, দৈনিক পরিমাণ মেনে চলুন (২০ থেকে ৩০ গ্রাম)। দ্বিতীয়ত, ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে খান যাতে পুষ্টি ভালোভাবে শোষিত হয় এবং হজম সহজ হয়। তৃতীয়ত, ভালো মানের, রাসায়নিক-মুক্ত কিশমিশ বেছে নিন।

    গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, IBS, ফ্রুক্টোজ অসহিষ্ণুতা, বা ডায়রিয়ার সমস্যা থাকলে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

    গর্ভাবস্থায় কিশমিশের উপকারিতা কী?

    কিশমিশ গর্ভকালীন আট গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা প্রদান করে।

    ১. গর্ভকালীন রক্তাল্পতা প্রতিরোধ

    গর্ভাবস্থায় আয়রনের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়। ভারতীয় গর্ভবতী মহিলাদের প্রায় ৬০% রক্তাল্পতায় ভোগেন। কিশমিশ প্রাকৃতিক আয়রনের একটি ভালো উৎস। ৩০ গ্রাম কিশমিশে প্রায় ০.৮ থেকে ১.৫ মি.গ্রা. আয়রন থাকে।

    ২. কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়

    গর্ভাবস্থার সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির একটি কোষ্ঠকাঠিন্য, যা ৩৮% পর্যন্ত গর্ভবতী মহিলাদের প্রভাবিত করে। কিশমিশে প্রচুর ফাইবার এবং প্রাকৃতিক সরবিটল রয়েছে যা মলকে নরম করে এবং নিয়মিত পরিপাকে সাহায্য করে।

    ৩. তাৎক্ষণিক শক্তি প্রদান

    গর্ভকালীন ক্লান্তি অত্যন্ত সাধারণ। কিশমিশে প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) রয়েছে যা দ্রুত শক্তি প্রদান করে। এটি প্যাকেটজাত মিষ্টির চেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

    ৪. হাড় শক্তিশালী করে

    কিশমিশে ক্যালসিয়াম এবং বোরন রয়েছে যা মা এবং শিশু উভয়ের হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

    ৫. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    কিশমিশে পটাসিয়াম থাকে যা সোডিয়ামের প্রভাব কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রিএক্ল্যাম্পসিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    ৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

    কিশমিশে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ফেনোলিক যৌগ এবং ফ্ল্যাভোনয়েড) রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যা গর্ভাবস্থায় বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে যায়।

    ৭. শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য

    কিশমিশে ফোলেট, বি ভিটামিন এবং প্রাকৃতিক চিনি থাকে যা শিশুর মস্তিষ্কের প্রাথমিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ৮. ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত

    গর্ভকালীন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বক ও চুলে পরিবর্তন আসে। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পুষ্টি উপাদান ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    কিশমিশ ভালো হলেও, গর্ভকালীন পুষ্টির চাহিদা একটি ফল মেটাতে পারে না। গর্ভাবস্থায় প্রোটিনের চাহিদা প্রতিদিন ৭৫ থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। Mylo Protein Disckettes একটি গর্ভাবস্থা-বান্ধব স্ন্যাকস বিকল্প যা সুবিধাজনক বিস্কুট ফরম্যাটে উচ্চ মানের প্রোটিন প্রদান করে। কিশমিশের সাথে জোড়া হলে এটি একটি সম্পূর্ণ স্ন্যাকস তৈরি করে যা ক্ষুধা মেটায় এবং রক্তে শর্করা স্থিতিশীল রাখে।

    গর্ভাবস্থায় দৈনিক কত কিশমিশ খাওয়া নিরাপদ?

    প্রস্তাবিত দৈনিক পরিমাণ সহজ এবং সংরক্ষিত।

    ফরম্যাট নিরাপদ দৈনিক পরিমাণ
    ভেজানো কিশমিশ ২০ থেকে ৩০ গ্রাম (এক ছোট মুঠো)
    শুকনো কিশমিশ (গণনায়) প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০টি
    কিশমিশ দুধ ১ গ্লাস (১০ থেকে ১৫টি কিশমিশ ভেজানো)
    কিশমিশ পানি ১ গ্লাস সকালে
    গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি প্রোটিনের সাথে

    ৩০ গ্রাম শুনতে কম মনে হতে পারে, কিন্তু কিশমিশ ক্যালোরি ঘন। বেশি খাওয়া রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে এবং অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    কিশমিশ ভিজিয়ে খাওয়া কি ভালো?

    হ্যাঁ, ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ গর্ভাবস্থায় শুকনো কিশমিশের চেয়ে বেশি উপকারী।

    ভিজিয়ে রাখার তিনটি প্রধান সুবিধা।

    প্রথমত, ফাইটিক অ্যাসিড কমে যায়, যা শুকনো বাদাম এবং বীজে পাওয়া একটি যৌগ যা পুষ্টি শোষণে বাধা সৃষ্টি করে। ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ থেকে আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ বেশি ভালোভাবে শোষিত হয়।

    দ্বিতীয়ত, কিশমিশ নরম হয়ে যায়, হজম সহজ হয় এবং পেটে অস্বস্তি কম হয়।

    তৃতীয়ত, প্রাকৃতিক এনজাইম সক্রিয় হয় যা পরিপাকে সাহায্য করে।

    কিভাবে ভিজিয়ে রাখবেন:

    রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক মুঠো কিশমিশ (২০ থেকে ৩০টি) এক কাপ পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ এবং পানি দুটোই খালি পেটে গ্রহণ করুন। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় গর্ভাবস্থা পুষ্টি অভ্যাস।

    প্রথম ত্রৈমাসিকে কিশমিশ কি নিরাপদ?

    হ্যাঁ, কিশমিশ প্রথম ত্রৈমাসিকে নিরাপদ এবং বিশেষভাবে উপকারী।

    প্রথম ত্রৈমাসিক (১ থেকে ১৩ সপ্তাহ) মর্নিং সিকনেস, ক্লান্তি এবং খাদ্যের প্রতি অনিচ্ছা নিয়ে আসে। কিশমিশ এই সমস্যাগুলি মোকাবেলায় সাহায্য করে।

    প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ সংবেদনশীল পেটে সহজ। দ্রুত শক্তি দেয় যখন ক্লান্তি বেশি। আয়রন এবং ফোলেট নিউরাল টিউব উন্নয়নে সাহায্য করে। সহজে সংরক্ষণযোগ্য, যখন রান্না করা কষ্ট মনে হয়।

    প্রথম ত্রৈমাসিকে প্রতিদিন এক ছোট মুঠো ভেজানো কিশমিশ থেকে শুরু করুন। যদি অতিরিক্ত গ্যাস বা আলগা মল হয়, পরিমাণ কমান।

    দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে কিশমিশ কি নিরাপদ?

    হ্যাঁ, কিশমিশ দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও সমান নিরাপদ ও উপকারী।

    দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (১৪ থেকে ২৭ সপ্তাহ), ক্ষুধা বাড়ে এবং আয়রন ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। কিশমিশ এই চাহিদাগুলি পূরণে সাহায্য করে।

    তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (২৮ থেকে ৪০ সপ্তাহ), কোষ্ঠকাঠিন্য, পায়ে ব্যথা, এবং ক্লান্তি বাড়ে। কিশমিশের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম পেশীর কার্যকারিতা উন্নত করে, এবং প্রাকৃতিক চিনি ক্লান্তি দূর করে।

    তৃতীয় ত্রৈমাসিকে অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন কারণ এই সময়ে রক্তে শর্করা বেশি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

    অতিরিক্ত কিশমিশ খাওয়ার ঝুঁকি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

    পরিমিত পরিমাণে নিরাপদ হলেও, অতিরিক্ত খাওয়া সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

    ডায়রিয়া বা আলগা মল উচ্চ সরবিটল উপাদানের কারণে। পেটে গ্যাস ও ফোলাভাব। অতিরিক্ত ফাইবার থেকে অস্বস্তি। ওজন অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।

    গর্ভাবস্থা-নির্দিষ্ট ঝুঁকি:

    গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি: কিশমিশে প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়া রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দিতে পারে।

    ওজন বৃদ্ধি: কিশমিশ ক্যালোরি ঘন। ৩০ গ্রাম কিশমিশে প্রায় ৯০ ক্যালোরি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়া অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    দাঁতের ক্ষয়: কিশমিশ দাঁতে আটকে থাকে। ভালো মুখের যত্ন না নিলে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।

    কীটনাশকের অবশিষ্ট: নিম্নমানের কিশমিশে কীটনাশকের অবশিষ্ট থাকতে পারে। অর্গানিক বা ভালো ব্র্যান্ড বেছে নিন।

    গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে কি কিশমিশ খাওয়া যাবে?

    হ্যাঁ, কিন্তু সীমিত পরিমাণে এবং প্রোটিনের সাথে।

    গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের জন্য নির্দেশিকা:

    প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি কিশমিশের বেশি নয়। সবসময় প্রোটিন উৎসের সাথে খান: ৫ থেকে ৬টি বাদাম, ছোট টুকরা পনির, ২ চামচ দই, বা Mylo Protein Disckettes দ্রুত প্রোটিনের জন্য। প্রোটিন চিনি শোষণ ধীর করে এবং স্পাইক প্রতিরোধ করে। ভেজানো কিশমিশ খান কারণ ফাইবার বেশি কাজ করে। কিশমিশের রস এড়িয়ে চলুন। কিশমিশ খাওয়ার পর রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন এবং আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।

    কিশমিশ এবং Mylo Protein Disckettes একটি সুষম স্ন্যাকস তৈরি করে যা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ডায়েট পরিকল্পনায় ফিট করে, মিষ্টির ক্রেভিং মেটায় কিন্তু রক্তে শর্করা স্থিতিশীল রাখে।

    গর্ভাবস্থায় কিশমিশ খাওয়ার সেরা উপায়গুলি কী?

    ছয়টি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর প্রস্তুতি।

    ভেজানো কিশমিশ সকালে। রাতে ভিজিয়ে রাখুন, সকালে খালি পেটে কিশমিশ এবং পানি গ্রহণ করুন।

    কিশমিশ দুধ। এক গ্লাস উষ্ণ দুধে ১০ থেকে ১৫টি ভেজানো কিশমিশ যোগ করুন। ঘুমানোর আগে অসাধারণ।

    ওটস বা দলিয়ায়। সকালের নাস্তায় ওটস বা দলিয়ায় কিশমিশ এবং বাদাম যোগ করুন।

    দইয়ের সাথে। এক বাটি দইয়ে কয়েকটি কিশমিশ যোগ করুন। প্রোবায়োটিক প্লাস আয়রন।

    হোমমেড লাড্ডু। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় গর্ভাবস্থা মিষ্টি, কম চিনিতে তৈরি।

    কিশমিশের পানি। ১৫ থেকে ২০টি কিশমিশ এক গ্লাস পানিতে রাতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানি ছেঁকে পান করুন। রক্ত পরিশোধনে সাহায্য করে।

    প্যাকেজড কিশমিশ মিষ্টি, কৃত্রিম স্বাদের কিশমিশ পণ্য, এবং কিশমিশের ক্যান্ডি এড়িয়ে চলুন।

    কখন কিশমিশ এড়িয়ে চলবেন বা সীমিত করবেন?

    কিছু পরিস্থিতিতে কিশমিশ এড়িয়ে চলা বা কম খাওয়া দরকার।

    অনিয়ন্ত্রিত গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে। দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা থাকলে। ফ্রুক্টোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে। কিশমিশ বা শুকনো ফলে অ্যালার্জি থাকলে। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি হলে। ডায়াবেটিস বা প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার পারিবারিক ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন।

    প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

    গর্ভাবস্থায় দৈনিক কত কিশমিশ খাওয়া নিরাপদ?
    ২০ থেকে ৩০ গ্রাম, অর্থাৎ এক ছোট মুঠো বা ৩০ থেকে ৪০টি কিশমিশ। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি বেশি নয় এবং প্রোটিনের সাথে।

    কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা কেন ভালো?
    ভিজিয়ে রাখা কিশমিশে ফাইটিক অ্যাসিড কমে যায়, পুষ্টি শোষণ বাড়ে, হজম সহজ হয়, এবং পেটে অস্বস্তি কম হয়। রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

    প্রথম ত্রৈমাসিকে কি কিশমিশ খাওয়া যাবে?
    হ্যাঁ। প্রথম ত্রৈমাসিকে কিশমিশ নিরাপদ এবং বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এটি ক্লান্তি কমায়, মর্নিং সিকনেসে সাহায্য করে এবং আয়রন ও ফোলেট সরবরাহ করে।

    কিশমিশ কি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়?
    হ্যাঁ। কিশমিশে প্রচুর ফাইবার এবং সরবিটল রয়েছে যা মলকে নরম করে। ২ থেকে ৩ দিন নিয়মিত খেলে স্পষ্ট উন্নতি দেখা যায়।

    গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে কিশমিশ খাওয়া যাবে?
    হ্যাঁ, কিন্তু সীমিত পরিমাণে (প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি) এবং সবসময় প্রোটিনের সাথে। Mylo Protein Disckettes কিশমিশের সাথে একটি ভালো জোড়া।

    কিশমিশ কি গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়ায়?
    অতিরিক্ত খাওয়া হলে হ্যাঁ। ৩০ গ্রাম কিশমিশে প্রায় ৯০ ক্যালোরি থাকে। দৈনিক পরিমাণে রাখলে এটি একটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস।

    কিশমিশ কি রক্তাল্পতা কমাতে পারে?
    কিশমিশে আয়রন আছে যা সাহায্য করে, কিন্তু এটি একা যথেষ্ট নয়। নির্ধারিত আয়রন সাপ্লিমেন্ট চালিয়ে যান এবং ভিটামিন C-সমৃদ্ধ খাবারের সাথে কিশমিশ খান (যেমন লেবু) আয়রন শোষণ বাড়াতে।

    কালো কিশমিশ এবং সোনালি কিশমিশের মধ্যে কোনটি ভালো?
    উভয়ই সমানভাবে নিরাপদ এবং পুষ্টিকর। কালো কিশমিশে কিছুটা বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সোনালি কিশমিশ সালফার ডাইঅক্সাইড দিয়ে প্রক্রিয়াজাত হতে পারে যা সংবেদনশীল মহিলাদের প্রভাবিত করতে পারে।

    কিশমিশের পানি গর্ভাবস্থায় কি ভালো?
    হ্যাঁ। রাতে ১৫ থেকে ২০টি কিশমিশ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে পান করুন। এটি রক্ত পরিশোধন, হজম, এবং আয়রন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    কিশমিশ কি মিসক্যারেজ ঘটাতে পারে?
    না, কিশমিশ সাধারণ পরিমাণে খাওয়ার ফলে মিসক্যারেজ ঘটে না। এটি একটি মিথ। গর্ভাবস্থায় খুব নিরাপদ বলে বিবেচিত।

    গর্ভাবস্থায় অন্য কোন শুকনো ফল খাওয়া যেতে পারে?
    বাদাম, খেজুর, পেস্তা, এবং আখরোট সবই গর্ভাবস্থায় নিরাপদ এবং পুষ্টিকর। প্রতিদিন ছোট পরিমাণে (একটি ছোট মুঠো)।

    গর্ভাবস্থায় আরও কোন ফল খাওয়া উচিত?
    আম, আপেল, কলা, ডালিম, কমলা, এবং বেরি সবই গর্ভাবস্থায় নিরাপদ। দেখুন আমাদের গর্ভাবস্থায় লেবু গাইড এবং গর্ভাবস্থায় চীনাবাদাম গাইড

    শেষ কথা

    কিশমিশ গর্ভাবস্থায় একটি প্রাকৃতিক, সুস্বাদু, এবং পুষ্টিকর সংযোজন। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ গ্রাম (এক ছোট মুঠো) ভেজানো কিশমিশ আয়রন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, এবং প্রাকৃতিক শক্তি প্রদান করে, যা গর্ভকালীন তিনটি প্রধান সমস্যা মোকাবেলায় সাহায্য করে: রক্তাল্পতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এবং ক্লান্তি।

    নিয়ম সহজ। রাতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে খান। দৈনিক ২০ থেকে ৩০ গ্রামের মধ্যে রাখুন। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে প্রোটিনের সাথে জোড়া করুন। ভালো মানের, রাসায়নিক-মুক্ত কিশমিশ বেছে নিন।

    গর্ভাবস্থায় পুষ্টি স্তরযুক্ত, এবং একটি একক খাবার সব চাহিদা পূরণ করতে পারে না। প্রোটিন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, দৈনিক চাহিদা গর্ভাবস্থায় ৭৫ থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। Mylo Protein Disckettes একটি সুবিধাজনক বিস্কুট ফরম্যাটে এই প্রোটিন সরবরাহ করে যা কিশমিশ এবং অন্যান্য গর্ভাবস্থা-বান্ধব ফলের সাথে সুন্দরভাবে জোড়া হয়। ক্ষুধা মেটায়, রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া ধীর করে, এবং আপনার শিশুর টিস্যু বিকাশে সাহায্য করে।

    আপনার গর্ভাবস্থা যাত্রা সুস্থ এবং আনন্দময় হোক।

    সম্পর্কিত আরও পড়ুন

    গর্ভাবস্থায় লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও ঝুঁকি

    গর্ভাবস্থায় চীনাবাদাম: এটি কি নিরাপদ?

    গর্ভাবস্থায় টমেটো: উপকারিতা ও ঝুঁকি

    গর্ভাবস্থার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ

    ৩০ দিনে গর্ভাবস্থা কীভাবে নিশ্চিত হবেন

    কীভাবে আঙ্গুল দিয়ে প্রেগন্যান্সি চেক করবেন

    গর্ভাবস্থায় চকলেট কি নিরাপদ?

    Is this helpful?

    thumbs_upYes

    thumb_downNo

    Medically Reviewed by

    Dr. Shruti Tanwar

    C-section & gynae problems - MBBS| MS (OBS & Gynae)

    View Profile

    Written by

    Priyanka Verma

    Priyanka is an experienced editor & content writer with great attention to detail. Mother to an 11-year-old, she's a ski

    Read More

    Get baby's diet chart, and growth tips

    Download Mylo today!
    Download Mylo App

    Related Questions

    • amr report ta ki thik ase?

      arrow
    • amr report ta ki thik ase?

      arrow
    • নয় সপ্তাহে এ কৌষটি কাঠিন হলে করণীয় কি

      arrow
    • ৯ মাসে কি বাচ্চা কম নড়াছড়া করে? জেনে থাকলে জানাবেন plz...

      arrow
    • অবশেষে ছেলে সন্তানের মা হলাম

      arrow

    RECENTLY PUBLISHED ARTICLES

    our most recent articles

    foot top wavefoot down wave

    AWARDS AND RECOGNITION

    Awards

    Mylo wins Forbes D2C Disruptor award

    Awards

    Mylo wins The Economic Times Promising Brands 2022

    AS SEEN IN

    Mylo featured on Business World
    Mylo featured on CNBC
    Mylo featured on Financial express
    Mylo featured on The Economics Times
    Mylo featured on Business Today
    Mylo featured on Business World
    Mylo featured on CNBC
    Mylo featured on Financial express
    Mylo featured on The Economics Times
    Mylo featured on Business Today
    Mylo featured on TOI
    Mylo featured on inc42
    Mylo featured on Business Standard
    Mylo featured on YourStory
    Mylo featured on ANI
    Mylo Logo

    Start Exploring

    wavewave
    About Us
    Mylo_logo
    At Mylo, we help young parents raise happy and healthy families with our innovative new-age solutions:
    • Mylo Care: Effective and science-backed personal care and wellness solutions for a joyful you.
    • Mylo Baby: Science-backed, gentle and effective personal care & hygiene range for your little one.
    • Mylo Community: Trusted and empathetic community of 10mn+ parents and experts.