hamburgerIcon

Orders

login

Profile

Profile
This changing weather, protect your family with big discounts! Use code: FIRST10This changing weather, protect your family with big discounts! Use code: FIRST10
ADDED TO CART SUCCESSFULLY GO TO CART
  • Home arrow

  • শিশুজন্মের ইতিবৃত্ত arrow

In this Article

    শিশুজন্মের ইতিবৃত্ত

    Baby Care

    শিশুজন্মের ইতিবৃত্ত

    4 April 2023 আপডেট করা হয়েছে

    ব্যক্তিগত-সামাজিক

    শিশুর জন্ম একজন মায়ের পক্ষে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অনুভূতি নয় বরং এক সামাজিক অনুভূতি ও বটে। শিশুর জন্মের আগে থেকে জন্ম অব্দি যেমন ব্যক্তিগত পরিবর্তন দেখা যায় তেমনি সামাজিক অনেক পরিবর্তনও নিয়ম-কানুন আচার আচরণের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়। ব্যক্তিগত পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে গেলে এই পুরো পদ্ধতিটাকে একটা মনস্তাত্ত্বিক পদ্ধতিও বলা যায় যেহেতু গর্ভবতী মহিলারা বিভিন্ন প্রথা, আচার-আচরণের মধ্য দিয়ে এই সময় যায়। এই অনুভূতিটাকে আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলারই সামাজিক মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, প্রথা ইত্যাদির ওপর যথেষ্ট পরিমাণে নির্ভর করতে হয়। আবার এটাও বলা যায় যে গর্ভবতী মহিলার আচার-আচরণ অনেকাংশই নির্ভর করে সামাজিক গঠনের ওপরে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এবং সর্বোপরি আঞ্চলিক তারতম্যের কারণে শিশুর জন্মের প্রক্রিয়াও বিভিন্ন হয়। এই প্রক্রিয়া খুব স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসা বিদ্যার বা চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্তর্গত প্রক্রিয়া নয় বরং সামাজিক গঠনের সঙ্গে জড়িত প্রক্রিয়া। সামাজিক উপাদান শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশেষত্ব উন্নতিশীল দেশগুলির ক্ষেত্রে। বেশিরভাগ দক্ষিণ এশিয়ার অঞ্চল গুলোতে শিশুর জন্ম সাংস্কৃতিক এবং সামাজিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যেহেতু এর সঙ্গে বিভিন্ন নিয়ম-কানুন পারম্পরিক ঐতিহ্য মিলেমিশে থাকে। এমনকি এও দেখা যায় বিভিন্ন দক্ষিণ এশিয়ার মহিলা যারা অন্য দেশে বসবাস করে তারাও এই নিয়ম-কানুন গুলো মেনে চলে কারণ সব ক্ষেত্রেই গর্ভবতী মহিলার চেষ্টা থাকে তার বাচ্চাকে সব রকম বিপদের হাত থেকে বাঁচানো এবং এই সময়ে প্রতিটি শিক্ষিত যুক্তিবাদী মহিলায় শিক্ষা বা যুক্তির ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে আচার অনুষ্ঠানে বেশি বিশ্বাস করতে আরম্ভ করে সামাজিক গঠন এবং তার প্রভাবের জন্য।

    লোকাচার

    বাঙালি সমাজে বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু সমাজে দেখা যায় যে জাতি, কুল, এবং দেশ ভেদে সংস্কারগুলিও সম্পূর্ণ আলাদা হয়। বেশিরভাগ বাঙালি হিন্দুই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কিছু শাস্ত্রীয় নিয়ম যদিও মেনে চলে যেগুলো সব ক্ষেত্রেই একই থাকে। এই নিয়ম গুলো যতনা লিখিত ভাবে পাওয়া যায়, তার থেকে অনেক বেশি লোকমুখে প্রচলিত তাই এগুলিকে লোকাচার বলা হয়। এই লোকাচার গুলো আসলে সেই সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তাই এও বলা যায় যে, এই লোকাচারগুলোর মাধ্যমে বাঙালি জাতি তাদের পারম্পরিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখে। নিয়ম গুলো প্রত্যেকটি মানুষের বিভিন্ন রকমের বিশ্বাসের ওপরেও নির্ভর করে এবং কিছু সময়ে তা নেহাতই আজগুবি চরিত্রে পরিণত হয়।

    ইতিবৃত্ত

    এই পরিবর্তন বাংলার ইতিহাসকে ব্যক্ত করে। ১৫০০ এবং ১৬ শতাব্দি নাগাদ চৈতন্য মহাপ্রভু বাংলা সমাজের এক বিশিষ্ট প্রতিভূ হিসেবে দেখা দেন এবং তার প্রভাব সমাজকে অনেকাংশই প্রভাবিত করে। এই সময় থেকেই মহিলাদের সামাজিক অবস্থান আস্তে আস্তে উন্নত হতে শুরু করে এবং বিভিন্ন ধরনের নিয়ম কানুন পরিবর্তিত হতে থাকে বা তার পেছনের কারণ খুঁজে বার করার চেষ্টা শুরু হয়। এই সময় থেকেই পুত্র সন্তানকে ঘিরে সমস্ত রকম আনন্দ অনুষ্ঠান পরিবর্তিত হয়ে শুরু হয় যেকোন শিশুর জন্মে আনন্দ অনুষ্ঠানে। এই সময় থেকেই সমাজে মেয়ে এবং ছেলে সন্তানের অধিকার এক হিসাবে ভাবা শুরু হতে থাকে যদিও এখনো সে অধিকার পুরোপুরি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। পুত্র সন্তানের জন্মের পরেই আগে কেবলমাত্র কীর্তন গাওয়া হত কিন্তু এই সময় থেকে কীর্তন গান বহুল প্রচলিত হয় যে কোন সন্তানের জন্মে। তাই এই সময়ের পরেপরেই বাংলার নবজাগরণ ঘটে। চৈতন্য মহাপ্রভুর পরে যিনি বাংলার বিভিন্ন লোকাচার, প্রথা, বা ঐতিহ্যকে নতুনত্বের মোড়কে মোরাবার চেষ্টা করেছেন যুক্তিসঙ্গতভাবে - তিনি হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কুসংস্কার ও গোড়ামীকে নির্মূল করতে চেয়েছিলেন। আগেকার দিনে মেয়ে সন্তান মানেই ধরে নেওয়া হত তা পরিবারের বোঝা; তাই মেয়ের জন্মে আনন্দা অনুষ্ঠান তো দূরের কথা অনেক ক্ষেত্রেই তা শোকের বাড়ি হিসেবে চিহ্নিত হতো। ব্রাহ্ম সমাজের বিভিন্ন রকমের উদ্যোগ নেওয়ার ফলেই এ ধরনের বৈষম্য সমাজ থেকে আস্তে আস্তে দূরীভূত হয়েছে। সুতরাং এ কথা বলাই যায় যে শিশুর জন্মের বা গর্ভবতী মহিলার প্রসব সংক্রান্ত যাবতীয় যা বাংলা লোকাচার আছে তার এক সুদুর প্রসারী ইতিহাস শুধু যে আছে তা নয়, বরং বলা যায় তার অনেক পরিবর্তনও ইতিমধ্যেই হয়েছে। লোকাচার কে সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করে একটা জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়; তাই শিশুর জন্মের সময় বা প্রসবকালীন যে কোন আচার-আচরণের ক্ষেত্রেই তা বাতিল করার বদলে তা যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা ভাবনা করে বিচার বিশ্লেষণ করে গ্রহণ করাই সমর্থনযোগ্য।

    Is this helpful?

    thumbs_upYes

    thumb_downNo

    Written by

    Atreyee Mukherjee

    Get baby's diet chart, and growth tips

    Download Mylo today!
    Download Mylo App

    Related Questions

    • amr report ta ki thik ase?

      arrow
    • amr report ta ki thik ase?

      arrow
    • নয় সপ্তাহে এ কৌষটি কাঠিন হলে করণীয় কি

      arrow
    • ৯ মাসে কি বাচ্চা কম নড়াছড়া করে? জেনে থাকলে জানাবেন plz...

      arrow
    • অবশেষে ছেলে সন্তানের মা হলাম

      arrow

    Related Topics

    RECENTLY PUBLISHED ARTICLES

    our most recent articles

      foot top wavefoot down wave

      AWARDS AND RECOGNITION

      Awards

      Mylo wins Forbes D2C Disruptor award

      Awards

      Mylo wins The Economic Times Promising Brands 2022

      AS SEEN IN

      Mylo featured on Business World
      Mylo featured on CNBC
      Mylo featured on Financial express
      Mylo featured on The Economics Times
      Mylo featured on Business Today
      Mylo featured on Business World
      Mylo featured on CNBC
      Mylo featured on Financial express
      Mylo featured on The Economics Times
      Mylo featured on Business Today
      Mylo featured on TOI
      Mylo featured on inc42
      Mylo featured on Business Standard
      Mylo featured on YourStory
      Mylo featured on ANI
      Mylo Logo

      Start Exploring

      wavewave
      About Us
      Mylo_logo
      At Mylo, we help young parents raise happy and healthy families with our innovative new-age solutions:
      • Mylo Care: Effective and science-backed personal care and wellness solutions for a joyful you.
      • Mylo Baby: Science-backed, gentle and effective personal care & hygiene range for your little one.
      • Mylo Community: Trusted and empathetic community of 10mn+ parents and experts.